১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
কুমিল্লা শহর-লাগোয়া এলাকাটিতে প্রায় পাঁচ হাজার বাড়িঘরে ৩০ হাজারের মত মানুষ বসবাস করে, তাদের সবাই বছরের পর বছর এই ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।
“গতবারের বর্ষার মতো এবার যাতে পানি না জমে, সেজন্য সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ভবদহ এলাকার নদী খনন কাজ শুরু হবে।”
“২০ হাজার ঘের মালিকের জন্য ১০ লাখ লোকের জীবন-জীবিকা বিসর্জন দেওয়া যায় না। অবৈধ ঘের সরাতে হবে,” বলেন উপদেষ্টা।
ভবদহের মানুষের প্রতি এই জল-নিপীড়ন শুধুমাত্র অব্যবস্থাপনার ফল নয়। মূল দায় হলো রাষ্ট্রের বৈষম্যমূলক ‘পদ্ধতি’ বা ‘কাঠামো’র। অর্থাৎ যত দিন না এই নিপীড়নমূলক কাঠামো ভাঙছে তত দিন ভবদহের জলাবদ্ধতা শেষ হবে না। ভবদহের মানুষের মানবাধিকারও সুরক্ষিত হবে না।
“বছরের পর বছর ধরে মানবিক বিপর্যয় সংগঠিত হওয়া সত্ত্বেও এ বিষয়ে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ না নেওয়া বা সমস্যার সমাধান না করা পদ্ধতিগত মানবাধিকারের লঙ্ঘন।”
“টিআরএম প্রকল্প বাদ দিয়ে ২০২২ সাল থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ড যে সেচ প্রকল্প গ্রহণ করেছিল, সেটাই এখন ভোগান্তির কারণ।”
নদী খননের নানা প্রকল্পকে ভুক্তভোগী জনগণ কখনো ভালো চোখে দেখেনি। তাদের যুক্তি, ‘নদী কখনো খনন করে বাঁচানো যায় না, নদীকে তার আপন গতিতে চলতে দিতে হয়। না হলে নদী আপনি মরে যায়।’