০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
কয়েকজন সদস্য সম্পূরক বাজেটের প্রয়োজনীয়তা, অতিরিক্ত ব্যয় বা ব্যয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেন।
“খেলাপি ঋণের চিত্রই বলে দেয়—কারা প্রকৃত উদ্যোক্তা, আর কারা প্রতারক।”
শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের সমীকরণ—নতুন গভর্নরের সামনে বড় সংকট।
ব্যাংকে টাকা পাহাড়, কিন্তু নতুন কারখানা হচ্ছে না, কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। অনিশ্চয়তা আর আস্থার ঘাটতিতে থমকে আছে অর্থনীতির চাকা।
“আমরা কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ বা বাধা দেব না; বাংলাদেশ ব্যাংকের যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে দুদক।”
দীর্ঘমেয়াদি ও লক্ষ্যভিত্তিক সিএসআরই পারে মানুষের জীবন আলোকিত করতে। অথচ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের সিএসআর ব্যয় দিন দিন কমছে এবং তা আবার লক্ষ্যহীন ব্যয়ে পরিণত হচ্ছে।
আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।
দুই প্রকল্পে ৯০ কোটি ডলার দেবে এডিবি এবং সমসংখ্যক প্রকল্পে ৬৪ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক।