২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
আর্টেমিস টু মিশনের সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে চাঁদের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন নাসার চার নভোচারী।
চীনের সঙ্গে ক্রমাগত প্রতিযোগিতার মুখে মহাকাশে নিজেদের নেতৃত্ব ধরে রাখার জন্য আর্টেমিস মিশনটিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ‘মার-এ-লাগো’ রিসোর্টে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পরপরই এ চুক্তির ঘোষণাটি এল।
চাঁদের উপরিভাগে মিশে থাকা বিরল গ্যাস ‘হিলিয়াম-৩’ সংগ্রহ, যা ফিউশন পাওয়ার বা পারমাণবিক ফিউশন শক্তির ‘প্রধান জ্বালানি’ হয়ে উঠতে পারে।
সরকারের পক্ষ থেকে যখন বিমানের জন্য একযোগে ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার কথা হচ্ছে, তখন একের পর এক ত্রুটির মুখে পড়ছে বিমানের বহরে থাকা বোয়িংগুলো।
কলোরাডোর এঙ্গেলউড শহরের জেপেসেন-এর প্রভাবশালী অবস্থানের জন্য অনেক চাহিদা রয়েছে এর, যা মহাকাশ ঠিকাদার ও বিভিন্ন প্রাইভেট ইক্যুইটি কোম্পানিকে উৎসাহিত করছে।
তাদেরই স্টারলাইনার নভোযান প্রথমবারের মতো গত বছরের ৫ জুন মহাকাশ স্টেশনে যাত্রা করে। এতে অংশ নিয়েছিলেন নাসার নভোচারী ব্যারি উইলমোর ও সুনিতা উইলিয়ামস।
বুধবার নাসা-স্পেসএক্সের এই যৌথ মিশনটি সফল হলে রোববারের আগেই তাদের পৃথিবীতে ফিরে আসা সম্ভব হত।