০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
পুতিনের বেইজিং সফর মূলত বিশ্বরাজনীতির একটি স্ন্যাপশট, যেখানে দেখা যাচ্ছে দুই বৃহৎ শক্তি মিলে একটি বিকল্প বিশ্বব্যবস্থার নকশা আঁকছে।
যুদ্ধ কি অনিবার্য, নাকি আলোচনার টেবিলই শেষ কথা বলবে?
এ কমিটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিরূপণ করবে।
খামেনি নিহত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ছে ইউরোপের রাজনীতিতেও। ফ্রান্স-জার্মানির সমর্থন, ব্রিটেনের কৌশলী নীরবতা—সব মিলিয়ে বিশ্বরাজনীতি এখন অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের সমীকরণ—নতুন গভর্নরের সামনে বড় সংকট।
ট্রাম্পের হাতে শুল্ক যেন এক জাদুর কাঠি— যার ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে মার্কিন কূটনৈতিক সম্পর্কের রসায়ন। এক ছাতার নিচে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ক্ষুব্ধ দেশগুলো এবং এভাবেই হয়তো তৈরি হতে যাচ্ছে পরাশক্তির নতুন বলয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কের চাপে বাংলাদেশের রপ্তানি হুমকির মুখে। কৌশল হিসেবে বোয়িং বিমান কেনা ও খাদ্যশস্য আমদানির মতো পদক্ষেপ কি সত্যিই আমেরিকার মন জয় করতে পারবে, নাকি এসব কেবল ‘অরণ্যে রোদন’?