০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, প্রয়োজনে ২০ কোটি ডলার বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে বিক্রি করে হলেও ডলারের দর স্থিতিশীল রাখবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, টাকার অবমূল্যায়নে যাবে না।
রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের আকার বাড়িয়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করা এবং ঋণের মেয়াদ বৃদ্ধি ও সুদ কমানোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বহুজাতিক কোম্পানিটি বলছে, বর্তমানে তাদের অ্যাপ ব্যবহার করে প্রবাসীরা ২১টি দেশ থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে পারছেন।
প্রধান বিদেশি মুদ্রার বিনিময় মূল্য বাজারভিত্তিক করার ঘোষণা দেওয়ার পরও তা না বেড়ে দেড় মাস পর উল্টো কমছে।
এ মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ দুই কিস্তির টাকা হাতে পাবে বলে আভাস মিলেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কথায়।
গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, আইএমএফের কিস্তিসহ উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার জুনের মধ্যে হাতে পেতে পারে বাংলাদেশ।
জুনে দুই কিস্তির অর্থ একসঙ্গে পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ। তবে তা সংস্থাটির বোর্ড সভায় অনুমোদন হতে হবে।
“বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংক ও এডিবির কাছ থেকে বাজেট সহায়তা পাবে কি না নির্ভর করছে আইএমএফের বার্তার উপর। এখানেই ঋণ ছাড়ের গুরুত্ব।”