২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
সংবিধানের এক বা একাধিক অনুচ্ছেদের সমালোচনা আছে মানে সেই সংবিধান ছুঁড়ে ফেলতে হবে বা তার কবর রচনা করতে হবে—এই ধরনের বক্তব্য খুবই বিপজ্জনক।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর যারা বাহাত্তরের সংবিধান এবং রাষ্ট্রের চার মূলনীতি বাতিল চাইছেন, তারাই বর্তমানে ‘গণতন্ত্রের শত্রু’ বলে মন্তব্য করেছেন সিপিবি সভাপতি শাহ আলম। শুক্রবার ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সিপিবির ত্রয়োদশ কংগ্রেসে তিনি এ কথা বলেন।
সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে আপিল বিভাগকে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটি ‘অ্যাবসোলিউট’ নয়। অর্থাৎ আপিল বিভাগের মতামত নিয়ে সরকার বা রাষ্ট্র যা খুশি করতে পারে না।
“বিচার, সংস্কার ও নতুন সংবিধানের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ চাই। কিন্তু নতুন এই সংবিধানের বিপক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠী মাঠে নেমেছে,” বলেন তিনি।
“আমরা কি সংস্কার করতে বলেছি? আপনি সংস্কার করতে বসে জনগণকে বিয়োগ করে দিলেন। জনগণকে মুছে ফেললেন।”
“১৯৭২ সালে একজন একক ব্যক্তি ও একটি দলকে কেন্দ্রে রেখে যে সংবিধান প্রণয়ন করা হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত উত্তরোত্তর স্বৈরতন্ত্রী চেহারা ধারণ করতে করতে অবশেষে বাংলাদেশ জুড়ে একটি ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছে।”
“আমাদের এই ঘোষণাপত্র ৫ অগাস্ট ২০২৪ সাল থেকে কার্যকর বলে ধরে নেওয়া হবে।’’
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ যেমন কেবল ৯ মাসের সশস্ত্র যুদ্ধ নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ২৩ বছরের লড়াই-সংগ্রামের ইতিহাস; বাংলাদেশের সংবিধানও তেমনি, এটি অন্য কোনো দেশের তৈরি করা নয়।