২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
সংকটের এই সময়ে নতুন বাজেটের মোট ঘাটতির ৬৪ দশমিক ১৩ শতাংশই বিদেশি ঋণ দিয়ে পূরণের আশা করছে নতুন সরকার।
‘স্থিতিশীলতা তৈরি না করে’ সরকার উচ্চ প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্য ধরেছে, তা মূল্যস্ফীতি আরও 'উসকে' দিতে পারে বলে সতর্ক করছেন র্যাপিড চেয়ারম্যান।
বড় আকারের বাজেট প্রায়ই বড় আকারের দুর্নীতি, অর্থপাচার এবং বৈষম্যের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা এই লুণ্ঠনমূলক অর্থনৈতিক কাঠামো ভাঙতে পারবে কি নতুন সরকার?
অর্থ অধ্যাদেশ নিয়ে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে এনবিআর কর্মকর্তাদের।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলছেন, বৈষম্য দূর করতে হলে রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের সংস্কার লাগবে বলে তারা মনে করেন।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে ‘বড় ধরনের’ সংস্কার কার্যক্রম লাগবে।
দেশটির আইনপ্রণেতারা ব্যাপকভাবে অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন, এতে নিয়োগ পাওয়ার তিন মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতাচ্যুত হন।
আগামী অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি থাকবে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। অর্থবছর শেষে কর ছাড় দাঁড়াবে ১ লাখ ৬২ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকা। কর ভর্তুকি হিসাব করলে তা ঘাটতির চেয়ে বেশি।