২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
“মুদি, মসলা সব জিনিসের দাম আগে থেকেই বেশি। কমল কী?”
বাজেট নিয়ে সরকার বলছে এটি উন্নয়ন ও কল্যাণের মহাপরিকল্পনা। কিন্তু ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা যখন শুধু পুরোনো ঋণের সুদ মেটাতেই চলে যাবে, তখন লক্ষ্য পূরণ করতে হলে সাধারণ মানুষের পকেট না কেটে সরকারের অন্য কী উপায় থাকবে?
“বেচা-বিক্রি তো কম, মানুষ নাই ঢাকায়,” বলেন এক বিক্রেতা।
আলুর দামে হেরফের নেই, পাবনার পেঁয়াজ কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।
“গাড়ি ভাড়া তো বাড়িয়ে দিয়েছে ট্রাকওয়ালারা। তাই পাইকাররাও দাম বাড়িয়েছে,” বলেন এক বিক্রেতা।
‘’৫০ টাকার সবজি ৭০ টাকায় গেলে তো ২০ টাকা বাড়ল। কিন্তু কমার সময় ৫ থেকে ১০ টাকা কমে; ৫০ টাকায় আর ফেরে না।”
“তেল নাই, বৃষ্টি হচ্ছে—এগুলা বলা হচ্ছে দাম বাড়িয়ে। এসব তো কোনো কথা না, সব টালবাহানা।”
টানা কয়েক মাস বেড়ে ফেব্রুয়ারিতে নয় শতাংশের ঘরে পৌঁছে যাওয়া মূল্যস্ফীতির হার এক মাসের ব্যবধানে আবার আট শতাংশের ঘরে নেমে এসেছে।