২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
এসব কলকারখানা চালু করার পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
“শুধু বলতে চাই, আসুন আমরা পরিবর্তন আনার জন্য একসঙ্গে কাজ করি।”
“চলতি মাসের মধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
“ব্যবসায়ীদের চলতি মূলধন শেষ হয়ে গেছে; তাদের হাতে টাকা নাই,” বলেন তিনি।
৪০ হাজার কোটি টাকা অর্থনীতি ‘সক্রিয় করতে’; আর ২০ হাজার কোটি টাকা থাকবে বন্ধ কারখানার জন্য, বলেন গভর্নর।
দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদন খাতকে বেগবান করতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছেন প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে প্রায় চারশ শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়েছে। অনেক কারখানায় হামলা-লুটপাট হয়েছে।
“এজন্য কারখানাগুলোকে নীতি সহায়তা দেওয়া হবে।”