বন্ধ মিল চালুর জন্য বিনিয়োগ আনতে আন্তর্জাতিক টেন্ডার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদন খাতকে বেগবান করতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছেন প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বিভিন্ন কারখানা আগামীতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীর মাধ্যমে চালু করতে চাইছে সরকার।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সেজন্য আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বিদেশ থেকে বিনিয়োগ আনার উদ্যোগ নিয়েছে বলে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম জানিয়েছেন।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী সোমবার সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদন খাতকে বেগবান করতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করেন প্রতিমন্ত্রী।
শরীফুল আলম বলেন, “এখন পর্যন্ত যারা মিল লিজ নিয়েছেন, সেখানে অনেক পরিমাণে জমি পড়ে আছে। অব্যবহৃত জমিতে বেশি করে বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদনের সঙ্গে কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। এতে দেশে উৎপাদন খাত শক্তিশালী হবে, যা অর্থনীতির জন্য সহায়ক।”
আহসান খান চৌধুরী পাটশিল্পের উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান। বন্ধকল-কারখানা চালুর টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়েও তিনি ইতিবাচক মত দেন।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের অধীনে থাকা ২৫টি পাটকলের কার্যক্রম ২০২০ সালে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
এরপর ২০টি কারখানা লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর মধ্যে ১৪টি কারখানা ইতোমধ্যে লিজ দেওয়া হয়েছে।
লিজ দেওয়া কারখানার মধ্যে বর্তমানে ৯টিতে উৎপাদন চলছে। এসব কারখানায় দৈনিক প্রায় ১০০ মেট্রিকটন পণ্য উৎপাদন হচ্ছে।
