২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
“সেপ্টেম্বরে একসঙ্গে সবাই কাজ শুরু করলে কাগজের সংকট হওয়ার সম্ভাবনা আছে,” বলেন মুদ্রাকর তোফায়েল খান।
সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কিছু বই উপজেলাগুলোতে পৌঁছাতে জানুয়ারির প্রথমাংশ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
“মাধ্যমিকের বই ছাপার প্রক্রিয়া আগেভাগে শুরু হলেও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটি বেশ কিছু দরপত্র বাতিল করে দিয়ে বিধিতে একটু সংশোধন আনে,” বলেন এনসিটিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা।
নতুন বছরের জন্য এবার প্রাথমিক-মাধ্যমিকের ৩৩ কোটি বই ছাপানোর কাজ এগিয়ে চলছে দ্রুতগতিতে। এই বিপুল পরিমাণ বই ছাপার কাজ শেষ করে শিক্ষার্থীদের হাতে বছরের প্রথম দিন তা তুলে দিয়ে চায় সরকার।
তার মতে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) শুধু শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজে নিয়োজিত থাকবে।
সরকারের পরিবর্তনের পর পাঠ্যবই পরিমার্জনে অনেকটা সময় লেগে যাওয়ার ছাপা শুরু হতে দেরি হয়। ফলে বছরের শুরুতে সব বই হাতে পায়নি শিক্ষার্থীরা।