০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
যে বোরো মৌসুম হওয়ার কথা ছিল উৎসবে মুখর, জলবায়ু পরিবর্তন আর অব্যবস্থাপনার চাদরে ঢাকা পড়ে তা আজ হাওরের কৃষকদের জন্য এক দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। উৎপাদন খরচের অর্ধেক দামে ধান বিক্রি আর গোখাদ্যের অভাবে নামমাত্র মূল্যে গবাদিপশু বেচে দেওয়ার এই নির্মম বাস্তবতার শেষ কোথায়?
২১ জেলায় মাঠে থাকা আউশ, আমন বীজতলা, বোনা আমন, পাট, শাকসবজি, ফলবাগান, পান, তরমুজ পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।
এতে এক হাজার ৯৫৭ কৃষকের তিন কোটি ২৬ লাখ ১৬ হাজার ৯০০ টাকার ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
প্রায় সোয়া কোটি টাকা বাদামের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে ধারণা করেছন কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক।
গত ২৪ ঘণ্টায় নোয়াখালীতে ১২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা দেশের সব্বোর্চ্চ বৃষ্টিপাত ছিল বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
শনিবার সকাল থেকে থেমে থেমে আবার বৃষ্টি হওয়ায় বানভাসী মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি কমতে শুরু করলেও এখনও বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বিদ্যুৎবিহীন গ্রামাঞ্চলে এখন ভূতুড়ে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।