২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জের বেশকিছু হাওরের ‘৭০ ভাগ কৃষকের’ আধাপাকা বোরো ধান তলিয়ে গেছে।
কোনাবাড়ীর বাঘিয়া ও আহাকী এলাকায় ফসলী জমি থেকে মাটি কেটে অন্যত্র কৃষি জমি ভরাট করছিল কয়েকজন মাটি ব্যবসায়ী।
জুন মাস থেকে পাকিস্তানে শুরু হওয়া প্রবল বন্যায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন অনেক কৃষক। বন্যার পানিতে একরের পর একর জমির ফসল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।
সুনামগঞ্জের হাওরে শুরু হয়েছে আগাম ধান কাটা। পাহাড়ি ঢলের শঙ্কায় কৃষক। জেলার বাইরে থেকেও আনা হচ্ছে শ্রমিক ও ধান কাটার মেশিন।
মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন গ্রামবাসী।
“মাটি কাটার ফলে বড় বড় গর্ত সৃষ্ট হয়েছে। ফলে রাস্তায় চলাচলে তৈরি হয়েছে মারাত্মক ঝুঁকি।”
সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থেকে শাহজাদপুরের হাঁটপাচিল পর্যন্ত যমুনা নদীর ডান তীর রক্ষায় সাড়ে ছয় কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৫৩ কোটি টাকা।
“তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।”