২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রহ্মপুত্র নদ পারের বড়ইতলায় সাদা কাপড় পেতে তাতে গান করেন শিল্পীরা।
"ফরিদা পারভীন অচিন পাখি নামে যে স্কুলটি করেছেন, সেই স্কুলটি বাঁচানোর জন্য আপনারা দোয়া করবেন। এটি যেন কোনোদিন বন্ধ না হয়ে যায়," বলেন শিল্পীর স্বামী।
তানভীর মোকাম্মেল মনে করেন, লালনের গান পরিবেশনায় ফরিদা পারভীন তার ধারায় কোনো ‘উত্তরসূরী তৈরি করে যেতে পারেননি।
“গুরু না থাকলেও তার বাণী যেন টিকে থাকে সেই চাওয়া এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমাদের থাকবে।”
কিংবদন্তি এই শিল্পীর জন্ম নাটোরে হলেও বাবার কর্মসূত্রে তার শৈশব-কৈশোর কেটেছে কুষ্টিয়ায়। লালনের গান করায় শিল্পীর অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে শহরটিতে।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে রোববার ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয় লালনগীতির বরেণ্য শিল্পী ফরিদা পারভীনকে। এতে শামিল হন সর্বস্তরের মানুষ। অনেকে আসেন বৃষ্টি মাথায় নিয়েও।
বাউল ও লালনচর্চা যখন অবরুদ্ধ হতে যাচ্ছে, যখন সবচেয়ে বেশি দরকার ছিল তার মতো শিল্পীর, তখনই তিনি চলে গেলেন চিরতরে।
এই শিল্পীর প্রয়াণে প্রিন্স মাহমুদ থেকে রুনা লায়লা, বাপ্পা মজুমদার থেকে আবিদা সুলতানা, কবি আলম আরা জুঁই থেকে অভিনেত্রী চিত্রলেখা গুহ ভেসেছেন স্মৃতির আবেগে।