২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনে এটাই একসঙ্গে সবচেয়ে বড় পদোন্নতি।
“হরফুন মৌলা বা সকল কাজের কাজীর ন্যায় প্রশাসন ক্যাডারের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা বা পেশাদারিত্ব না থাকলেও সব মন্ত্রণালয়ের পদ দখল করে রেখেছে।”
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন সুপারিশে বলেছে, বিশেষ যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে চুক্তিভিত্তিক যুগ্মসচিব বা সংস্থা প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে।
গেল জুলাই মাসে নতুন করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর আলাদা করার প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। আলাদা অধিদপ্তর চান মাধ্যমিকের শিক্ষকরাও।
এনবিআর থেকে আলাদা হওয়ার পর রাজস্ব নীতি বিভাগের দায়িত্বে কারা আসবেন, আন্তঃক্যাডার বিরোধের সমাধান ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সংরক্ষণই বা কীভাবে হবে- এসব আলোচনা চলছে।
“আমার পদোন্নতি হয় আমার ক্যাডার সার্ভিসের লোক দেবে, নয়তো তৃতীয় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের এবং আমাদের পদোন্নতি দেবে।”
আগের সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে প্রশাসন ক্যাডারদের ‘অভূতপূর্ব ক্ষমতা ও সুবিধা’ দিয়েছিল অভিযোগ করা হয় বিবৃতিতে।
“জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন উপসচিব পদে ৫০-৫০ বণ্টনের কথা বলা হচ্ছে তা অযৌক্তিক, প্রহসনমূলক ও ষড়যন্ত্রমূলক।”