২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইরানের একের পর এক ড্রোন হামলা এবং সৌদি আরব ও আমিরাতের নতুন রণকৌশল—সব মিলিয়ে এক ভয়াবহ স্নোবল ইফেক্টের আশঙ্কায় বিশ্ব। মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের শিয়া-সুন্নি বিভেদ কি এবার আঞ্চলিক সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক যুদ্ধে রূপ নিতে যাচ্ছে?
ইরান যখন আমেরিকা-ইসরায়েলের যৌথ আক্রমণের মুখে, ঠিক তার আগে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলা কি নিছক কাকতালীয়, নাকি ইরানকে আঞ্চলিক মিত্রহীন করার জন্য এই হামলা?
বাইরের শক্তিগুলো জনগণের হতাশাকে কাজে লাগিয়ে ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে হস্তক্ষেপ করছে। তবে, বিদেশি ইন্ধনকে সমর্থন না করলেও ইরানি জনগণের যৌক্তিক দাবিকে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ এখনও একটি দ্বিপক্ষীয় যুদ্ধ, কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার ও ভূরাজনৈতিক তৎপরতা এটিকে বিশ্বমঞ্চে ঠেলে দিচ্ছে, আশঙ্কা করা হচ্ছে এটি বিশ্বযুদ্ধে রূপ নিতে পারে।
“কেন অন্য একটা স্থান থেকে অপতথ্য আসছে? যেভাবে আমরা বাংলায় একটা কথা বলি, ‘মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশ,” ভারতের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন তিনি।