০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
জাতীয় নির্বাচনের আগেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আদেশ জারি ও গণভোট আয়োজনসহ পাঁচ দাবিতে পল্টনে সমাবেশ করেছে ধর্মভিত্তিক ৮টি রাজনৈতিক দল। সেখানে বক্তারা বলেছেন, দাবি আদায়ে দলগুলো হিমালয়ের মতো অনড় থাকবে।
“আমরা মনে করি, নির্বাচনকে হয় বিলম্বিত করা বা নির্বাচনকে বাতিল করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র,” বলেন তিনি।
দলগুলো এখন আর সিদ্ধান্তে আসবে পারবে না; সরকাররকেই সিদ্ধান্তে আসতে হবে, মনে করেন অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান।
“আমাদের দেশে দুর্বল সরকার হলে, বাংলাদেশের লাভ কি? লাভ কাদের? এটা দেশপ্রেমিক জনগণ বুঝে,” বলেন তিনি।
“সংস্কার তাদের মূল লক্ষ্য ছিল না, তারা করেছে কারসাজি।”
“নির্বাচন যদি পিছিয়ে যায় বা তারা যদি তাদের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নির্বাচন পেছাতে পারে, সেটা তাদের রাজনৈতিকভাবে সুবিধা দেবে,” বলেন সাঈদ ইফতেখার।
“পিআর পদ্ধতিতে দলের কিছু আসন বৃদ্ধি পাওয়া ছাড়া জনগণের কোনো সুবিধা নেই,” বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান।
“বর্তমান সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক নির্বাচনি পদ্ধতিতে জনগণের প্রকৃত মতামত সংসদে প্রতিফলিত হয় না,” বলেন তিনি।