২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
“একই সাথে আমি মন্ত্রিপরিষদের সকল সদস্যের নাম শ্রমিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে চাই।”
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর ঢাকায় এটাই বিএনপির সবচেয়ে বড় আয়োজন, যেখানে সরকারপ্রধানও অংশ নিচ্ছেন।
“মানুষকে ধৈর্য ধারণ করানো শেখাতে হবে, ধৈর্য ধারণে তাদের সহযোগিতা করতে হবে,” বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আসবেন জেনে দুপুর আড়াইটা থেকে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়েছেন।
রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বুধবার তারুণ্যের সমাবেশের আয়োজন করে দলটির তিন অঙ্গ সংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল।
“বিএনপি মনে করে একমাত্র অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র, রাজনীতি এবং রাজনৈতিক বন্দোবস্তের সঙ্গে জনগণের প্রত্যক্ষ অংশীদারত্ব প্রয়োজন,” বলেন তিনি।
আগের সমাবেশের মত এবারো তিনি লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেবেন।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ছ্ড়াও বায়তুল মোকারর মসজিদের দক্ষিণ গেইট, আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে দলের নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন।