২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ভাইরাসটি মূলত শূকর ও ফলখেকো বাদুড়ের মতো প্রাণী থেকে মানবদেহে ছড়ায়।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নিপা ভাইরাস ছড়ানোর খবরে বেনাপোল ইমিগ্রেশনের তল্লাশি চৌকিতে বাংলাদেশে আসা যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে।
নিপা ভাইরাস শূকর ও ফলখেকো বাদুড়ের মতো প্রাণী থেকে মানবদেহে ছড়ায়। এসব প্রাণীর সরাসরি সংস্পর্শে এলে বা এদের লালা বা মলমূত্রের মাধ্যমে আক্রান্ত হওয়া সম্ভব।
এ কারণে ভ্রমণ বা বাণিজ্যে বিধিনিষেধের দরকারও দেখছে না তারা।
এর আগে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, হংকং, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনাম তাদের বিমানবন্দরগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও কড়া নজরদারি ব্যবস্থা চালু করেছিল।
একাধিক গণমাধ্যমে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ জানানোর পর আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা মাত্র দুজনের দেহে ভাইরাসটির উপস্থিতি পেয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে পশ্চিমবঙ্গের একটি হাসপাতালে কর্মরত পাঁচ স্বাস্থ্যকর্মী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হন। তাদের সংস্পর্শে আসা প্রায় ১৯০ জনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।
নিপাভাইরাসের মত উপসর্গ আছে, খেজুরের কাঁচা রস খেয়েছে, সঙ্গে এনকেফালাইটিস বা মস্তিষ্কের প্রদাহ রয়েছে এমন রোগীদের পরীক্ষা করে এ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়।