২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
সুপারনোভা বিশালাকার তারার জীবনের শেষ মুহূর্তের এক প্রচণ্ড বিস্ফোরণ এবং মহাকাশের অন্যতম উজ্জ্বল ঘটনা, যা সূর্যের চেয়ে প্রায় একশ কোটি গুণ বেশি উজ্জ্বল।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন খুঁজে পাওয়া বস্তুটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও দ্রুত ঘুরছে, যা এটিকে সত্যিই অদ্ভুত করে তুলেছে।
বহু বছর ধরে একাধিক টেলিস্কোপ ব্যবহার করে করা গবেষণায় অবশেষে জানা গেছে এসব রেডিও স্পন্দন কোথা থেকে আসতে পারে।
এ তাপমাত্রায় বিভিন্ন ইলেকট্রন সাধারণত পরমাণুর সঙ্গে আবদ্ধ হওয়ার বদলে উত্তপ্ত এক আয়নিত প্লাজমায় অবাধে চলাচল করে, যাকে ইলেকট্রনের ‘নাচ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন বিজ্ঞানীরা।
নিউট্রন তারা’র ভেতরে চাপ এতটাই বেশি যে, সেখানে বিভিন্ন পরমাণুও ভেঙে গিয়ে প্রোটন ও ইলেক্ট্রনকে নিউট্রনে পরিণত করে।
যখন একাধিক নিউক্লিয়াস পারমাণবিক ফিউশন ঘটানোর মতো যথেষ্ট কাছাকাছি চলে আসে, তখন বিভিন্ন নিউক্লিয়ন এক নিউক্লিয়াস থেকে আরেক নিউক্লিয়াসে স্থানান্তরিত হতে পারে।