১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
সরই গ্রামের ইউপি সদস্য বেল্লাল হোসেন মোল্লা বলেন, নদীভাঙনে তার অনেক স্বজন বাপ-দাদার ভিটার শেষ চিহ্নটুকুও হারিয়েছেন।
কুড়িগ্রাম জেলার ১৬টি নদ-নদীর অন্তত ৪২টি স্থানে বর্তমানে নদীভাঙন চলছে বলে দাবি চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের।
আইনি নিষেধাজ্ঞা আর জনগণের প্রতিবাদের পরও থামছে না উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী লুটের মহোৎসব। যাদুকাটা, পাটলাই কিংবা ধোপাজানের এই আর্তনাদ কবে শুনবে রাষ্ট্র?
বিদ্যানন্দ ও চর তৈয়বখাঁ গ্রামের লোকজন জানান, ১৫ দিনে তাদের ১৯টি বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
রাজারহাটের রামহরি, খিতাবখাঁ, সরিষাবাড়ি ও গতিয়াসাম এলাকার ১৬০টি পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার আমির-খাঁ কান্দি গ্রামে নদের ভাঙন কবলিত পাড়ে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করেছেন বাসিন্দারা।
“গত ২-৩ বছর ধরে ভাঙন প্রতিরোধে জেলায় অর্থ বরাদ্দ নেই। তাই বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যাহত হয়েছে। এ কারণে নদীভাঙন বেড়েছে।”
নদী ভাঙন থেকে শেষ আশ্রয় টুকু রক্ষায় অনেকেই ঘরবাড়ি খুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।