০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২০১৮ সাল থেকে প্রতি বছর গ্রীষ্মকালীন পরীক্ষাগুলোতে মোবাইল ফোন ও স্মার্ট ডিভাইসের ব্যবহারই ছিল পরীক্ষার্থীদের অসদুপায় অবলম্বনের সবচেয়ে সাধারণ মাধ্যম।
শিক্ষার্থীদের নকল, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির বিষয়ে সতর্ক করেন তিনি।
বুধবার দুপুরে সিলেটে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষে সিলেট শিক্ষা বোর্ড এবং ওই অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে বিকল্প হিসেবে আইপিএস ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন কক্ষ পরিদর্শক দায়িত্ব পালন করবেন।
ঘটনার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন অবগত আছেন, তিনি বিষয়টি তদারকি করছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
“নকলমুক্ত কচুয়া এক সময় সারাদেশে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। আমরা চাই, একইভাবে কচুয়া হোক মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশের মডেল।”
“প্রথমে যারা পরীক্ষক আছেন, তারা বিষয়টি লক্ষ্য করেন। তারা খুঁটিয়ে দেখে দুইজন একে অপরের সাথে ওএমআর শিট পরিবর্তন করেছে।”