২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
এক অর্থবছর পরই রপ্তানি আরও কমে যেত পারত যদি না অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি না হত।
শুধু একক মাস নয়, চলতি অর্থবছরের ১১ মাসের আয়ও কমেছে।
“নিউ জিল্যান্ডের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের ‘সম্ভাবনাময় খাতসমূহে’ বিনিয়োগ করে লাভবান হতে পারেন,” বলেন তিনি।
শুল্কের ধাক্কায় চীনের রপ্তানিতে ধসের কারণে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। কিন্তু বাস্তবতা হল, বাংলাদেশের রপ্তানিও কমেছে।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, খাদ্যপণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য আমদানিতে ইতালির আগ্রহের কথা বলেছেন রাষ্ট্রদূত।
এপ্রিলের আয়ে ভর করে গত অগাস্টের পর প্রবৃদ্ধি হলেও চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১০ মাসের আয়ের নেতিবাচক ধারা কাটেনি।
বিদ্যুৎ পরিস্থিতিও ‘উদ্বেগজনক’ বলে বর্ণনা করেছেন তিনি।