০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণে চীন সরকারের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
রংপুরে বিএনপির নেতৃত্বে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের গণপদযাত্রায়, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন- ‘দেশের মানুষের মন বুঝবে, এমন সরকারের অপেক্ষায় বিএনপি। ’
”তিস্তা প্রকল্পে যে পানি আসে ভারতের সহযোগিতা ছাড়া এটা আসলে কি হবে?” প্রশ্নও রাখেন তিনি।
“প্রধান উপদেষ্টা চাবি দিয়ে তালাটা খুললেন, তিনি চীনের রাষ্ট্রপতি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে সরাসরি এ বিষয়ে আমাদের সহায়তা করার কথা বলেছেন,” বলেন তিনি।
”আমাদের প্রত্যাশা হচ্ছে, দ্রুততার সঙ্গে এর কাজ শুরু হওয়া। আমরা চাই, মানুষের কষ্ট লাঘব হোক; আমরা প্রস্তুত আছি,” বলেন তিনি।
“কারণ তিস্তার পানিটা ইন্ডিয়াই আটকে রেখেছে, কাজেই তাদের কাছ থেকে আমাদের যদি আদায় করতে হয়, প্রজেক্টের কাজ তাদেরই করা উচিত”, বলেন তিনি
ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্টে বাংলাদেশের লাভ কী? বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ নয় বরং ভারতই বাংলাদেশের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে যাবে এটি পুরোপুরি চালু হলে। ভারতের এ নির্ভরতাকে বাংলাদেশ দরকষাকষির ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে।
“তিস্তায় একটা বৃহৎ প্রকল্প নিয়েছি। ভারত সেখানে অর্থায়ন করতে চায়,” বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।