০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
উভয় পক্ষই একে অপরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করার দাবি করেছে, যদিও কারও দাবিই স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা যাচ্ছে না।
পাকিস্তানের বিমান হামলার পর আফগান তালেবান শাসকরা সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
আফগানিস্তানের সঙ্গে সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যে পাকিস্তান সরকারের দাপ্তরিক এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে প্রধানমন্ত্রী তালেবানকে এই হুঁশিয়ারি দেন।
পাকিস্তানে যখন উগ্রপন্থি হামলা বাড়ছে এবং প্রতিবেশী আফগানিস্তানের সঙ্গে নতুন করে সীমান্ত উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই এই রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটল।
আফগানিস্তান সীমান্ত এলাকায় রাতভর পাকিস্তানের একাধিক হামলায় নিহতের এই সংখ্যা জানিয়েছে আফগান তালেবান। পাল্টা হামলার হুমকিও দিয়েছে তারা।
সীমান্ত উত্তেজনা ও সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার জেরে রোববার ভোরে আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।
আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের নতুন দণ্ডবিধি অনুসারে স্বামীরা স্ত্রী ও সন্তানদের শারীরিক শাস্তি দিতে পারবে। তবে তা দিতে গিয়ে ‘জখম বা হাড় ভাঙা’র ঘটনা ঘটলে রাখা হয়েছে শাস্তির বিধান।
আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি গোষ্ঠীটির সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা ৯০ পাতার নতুন এই দণ্ডবিধিটিতে স্বাক্ষর করেছেন।