০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের সমীকরণ—নতুন গভর্নরের সামনে বড় সংকট।
খেলাপি ঋণের পাহাড়, মূল্যস্ফীতির চাপ আর বেকার তরুণের দীর্ঘ লাইন—নতুন সরকারের সামনে অপেক্ষা করছে পুনর্গঠনের কঠিন লড়াই।
ব্যাংকে টাকা পাহাড়, কিন্তু নতুন কারখানা হচ্ছে না, কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। অনিশ্চয়তা আর আস্থার ঘাটতিতে থমকে আছে অর্থনীতির চাকা।
কোটি টাকার বেশি রয়েছে এমন হিসাবে জুন শেষে জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ ৮ লাখ ৮০ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা।
ব্যাংকাররা বলছেন, আমানতকারীদের আস্থা এখনও সেভাবে ফেরেনি। যেটির প্রভাব পড়েছে আমানতে।
এরমধ্যে আমানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দিয়েছে একটি ব্যাংক। এডিআর সীমা লঙ্ঘনের তালিকায় সাতটির পর্ষদ এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
“এটা হাই-পাওয়ার্ড মানি কিংবা টাকা ছাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলা যায়। জামানত ছাড়াই এ তারল্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।”
১০ শতাংশ সুদের হারে খুশি নন আইসিবি চেয়ারম্যান। এটি কমাতে ও শর্ত শিথিল করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেবেন তিনি।