০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
“তথ্য গোপন করার যে প্রবণতা আগে দেখা গেছে, যুক্তি বলে এই সরকার সেটা করতে যাবে না।”
জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে ১৫ দফা সুপারিশও করেছে টিআইবি।
দুজন তথ্য কমিশনারের মধ্যে ন্যূনতম একজন হবেন নারী।
“এত দীর্ঘ সময় তথ্য ও মানবাধিকার কমিশন নেতৃত্বহীন রাখা শুধু দুঃখজনক নয়, রাষ্ট্র সংস্কারের দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের মুখ্য ম্যান্ডেটের সঙ্গে সাংঘর্ষিক,” বলেছে টিআইবি।
“কমিশন গঠনের দায়িত্ব সরকারের, সেটাও সরকারের অজানা নয়। বিদ্যমান আইনে কেন তথ্য কমিশন গঠন হল না, এর জবাব সরকারকে দিতে হবে।”
“তথ্য কমিশনে প্রায় তিন মাস ধরে কমিশনার নেই। এ শূন্যতা দেশের গুরুত্বপূর্ণ আইনটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, যা তথ্যের অবাধ প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”
কর্মকর্তারা মনে করেন, তথ্যের মালিক কেবল তিনিই, অথচ তথ্যের মালিক কিন্তু জনগণ। তাদের উচিত তথ্যের রক্ষক হিসেবে তাদের ভূমিকা বোঝা, দ্বাররক্ষী হিসেবে নয়,” বলেন তিনি।