০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
চারটি গ্রহ নিয়ে গঠিত এ মণ্ডলটির দুটি পাথুরে ও দুটি গ্যাসীয় গ্রহ। এগুলো ছোট ও অনুজ্জ্বল লাল বামন তারাকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
যেসব গ্রহকে আগে ‘প্রাণের জন্য ‘অযোগ্য’ বলে মনে হত সেগুলোও আসলে বসবাসের উপযোগী হতে পারে। এসব গ্রহে পুরু বরফের নিচে তরল পানি জমে থাকতে পারে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ দুটি তারা সুপারনোভা হিসাবে বিস্ফোরিত এবং সম্ভবত একটি ব্ল্যাক হোলে পরিণত হবে।
এই প্রথম সরাসরি এমন একটি তারাকে শনাক্ত করা গেছে যেটি সুপারনোভা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। নতুন অনেক গবেষণার পথ খুলে দিয়েছে এ আবিষ্কার।
এসব লাল বিন্দু ছায়াপথ নয়, বরং হতে পারে তরুণ সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের আশপাশে গ্যাসের বিশালাকার গোলক।
নীহারিকার ভেতরে গ্যাস, ধুলা ও অন্যান্য উপাদান মাধ্যাকর্ষণের কারণে এক জায়গায় জড়ো হতে থাকে। এতে ঘন এলাকা তৈরি হয়, যা পরে এতটাই ভারী হয়ে ওঠে যে বিভিন্ন তারার জন্ম হয়।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, এ গ্রহের ভর শনি গ্রহের মতো ও এটি পৃথিবী থেকে প্রায় একশ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এর গ্রহ ব্যবস্থাটি কেবল ৬০ লাখ বছর পুরানো।