২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
“এই নৃশংসতা বিশ্ব বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তান আজও তাদের অপরাধ অস্বীকার করে যাচ্ছে।”
মুক্তিযুদ্ধকে যারা ‘ভাইয়ে-ভাইয়ে ঝগড়া’ এবং ‘ভারতের ষড়যন্ত্র’ বলে প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তারাই পাকিস্তানের বয়ানের বৈধতাদানকারী দোস্তরূপী দুশমন।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের ভয়াল রাতটিকে আলো নিভিয়ে বেশ কয়েকবছর থেকে স্মরণ করে আসছে বাংলাদেশ।
যে বামপন্থিরা ইরান বিপ্লবকে ত্বরান্বিত করেছিল, বিপ্লবের পর প্রথমে খোমেনি এবং পরে খামেনি তাদের নির্মমভাবে নির্মূল করলেন। ইতিহাস শেখায়—প্রতিক্রিয়াশীলদের সঙ্গে জোট, শেষ পর্যন্ত ফাঁদেই পরিণত হয়।
‘স্লিপ অব টাং’ থেকে শুরু করে শরণার্থী শিবির, সংবাদপত্র, গণহত্যা গবেষণা ও জনসংখ্যা বিশ্লেষণ—সবকিছু মিলিয়ে এই লেখা দেখায়, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ নিয়ে সংখ্যার বিতর্ক আসলে ইতিহাস অস্বীকারের এক রাজনৈতিক প্রকল্প।
রাখাইনের দখল নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি মিয়ানমারের ভূরাজনীতি ও গৃহযুদ্ধের ধরনই পাল্টে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে আসলেন ‘বিচরা হুয়া ভাই’ খুঁজতে। তবে ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার আগে ইতিহাসের অমীমাংসিত দায়দেনা নিয়ে মীমাংসা প্রয়োজন।
সেই কালরাতে চালানো অপারেশন সার্চলাইটের বীভৎসতার ওপর দাঁড়িয়ে মুক্তির যে যুদ্ধ শুরু করে বাঙালি জাতি, তার পথ ধরে নয় মাস পর বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।