২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ছাত্রলীগ নেতার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাগেরহাট জেলা কারাগারের জেলার।
“জামিনের জন্য আমার স্ত্রী আদালতের দ্বারে দ্বারে গেছেন। জামিন করাতে না পেরে একপর্যায়ে সে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।”
শনিবার রাত ১২টার দিকে সাবেকডাঙ্গা গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয় মা-ছেলেকে।
“সাদ্দামের পরিবারের মৌখিক ইচ্ছায় কারাফটকে স্ত্রী ও সন্তানের লাশ দেখানোর সিদ্ধান্ত হয়।”
“কারা কর্তৃপক্ষ প্যারোলে মুক্তি সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করে না। এটা সম্পূর্ণ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারাধীন।”
“স্ত্রী ও সন্তানের লাশ দেখানোর পর আবার সাদ্দামকে কারাগারে তার নিজ ওয়ার্ডে পাঠানো হয়,” বলেন জেলার আবিদ।