০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
থাইল্যান্ডের বিভিন্ন মন্দিরে ফুটিয়ে তোলা এশীয় ধর্মীয় ঐতিহ্যের সর্পিল আকৃতির পৌরাণিক চরিত্র ‘নাগা’-এর নামানুসারে এ ডাইনোসরটির নামকরণ করা হয়েছে।
এ আবিষ্কারকে ‘জলচর ধারণার চূড়ান্ত অবসান’ বলে বর্ণনা করেছেন গবেষক সেরেনো। যার থেকে ইঙ্গিত মেলে, পুরোপুরি গভীর পানির বাসিন্দা ছিল না এরা।
পৃথিবীতে কার্বনিফেরাস যুগে বাস করা প্রাণীটি ‘টেট্রাপড’ নামের চার পাওয়ালা বিশাল বংশধারার প্রাথমিক সদস্য। এরাই আজকের উভচর, সরীসৃপ, স্তন্যপায়ী ও পাখিদের পূর্বপুরুষ।
এসব আবিষ্কারের মধ্যে বিজ্ঞানীরা সবচেয়ে বেশি রোমাঞ্চিত হয়েছেন নতুন প্রজাতির এক তোতা পাখির আবিষ্কার নিয়ে, যা নিউ জিল্যান্ডের জনপ্রিয় কাকাপো পাখির প্রাচীন আত্মীয়।
এ অদ্ভুত জীবাশ্মটি দেখতে বর্মধারী ডাইনোসরের মতোই। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া এর প্রতিটি নমুনা আকারে খুবই ছোট, যা লম্বায় ৪০ সেন্টিমিটারের বেশি নয়।
জেটের আশপাশের বাতাসকে টেনে নিয়ে সেটিকে জোরে চেপে ধরে এই প্লাজমা ইঞ্জিন। তারপর সেটিকে মাইক্রোওয়েভ রেডিয়েশন বা বিকিরণ দিয়ে আঘাত করে।
এ ডাইনোসরের শরীরের গঠন এতই অদ্ভুত যে, জীবাশ্মের অসম্পূর্ণ ও এলোমেলো বিভিন্ন হাড় থেকে এর পুরো দেহের গঠন বানানো সহজ ছিল না।
এটি ‘সম্ভবত বিরল এক জীবাশ্মেরই নমুনা’, কারণ এখনও পর্যন্ত বিশ্বের অন্যান্য অংশে ফাইটোসরের কেবল কয়েকটি অংশই পাওয়া গিয়েছে।