৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
“ভুল বুঝাবুঝির অবসান হউক, সঠিক ইনফরমেশন ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহায়ক হউক।”
দীর্ঘ দেড় যুগের অন্ধকারের পর রাজনীতি কি সত্যিই সংসদে ফিরল? স্পিকারের ভূমিকা, বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আর মুক্তিযুদ্ধের অমীমাংসিত প্রশ্নের ভিড়ে এই সংসদ কি পারবে প্রকৃত জবাবদিহির কেন্দ্র হতে?
তেঁতুলিয়ায় গ্রাম পুলিশ নিয়োগ বাছাই পরীক্ষায় এ ঘটনা ঘটে।
বিশ্বমঞ্চে জাতীয় সংগীতের সুর প্রতিটি নাগরিকের জন্য এক অনন্য স্বস্তির পরশ। কিন্তু ২০২৬ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে রাজনীতির মারপ্যাঁচে বাংলাদেশ দলের অনুপস্থিতি শুধু একটি খেলা বর্জন নয়, বরং ১৮ কোটি বাঙালির গর্বের মুহূর্তটুকু ছিনিয়ে নেওয়া।
ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক কথা হলে সাহস নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। স্বাধীনতা, পতাকা ও জাতীয় সংগীত নিয়ে আপস করার সুযোগ নেই।
“যারা জাতীয় সংগীতের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ছিল, তাদের বিরুদ্ধে তার একটা বার্তা ছিল; এটাই কি কারণ?”
যারা “১৯৭১ সালে এই জনপদের মানুষের জনযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করেছিল এবং যাদের বিরুদ্ধে গণহত্যায় সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে”, তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
বিজয়ের মাসের প্রথম দিনে এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘জাগরণী‘ নিয়ে নিয়মিত হাজির হওয়ার কর্মসূচি শুরু করল সংগঠনটি।