২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
আলোচনা শেষে সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এরপর জমির উদ্দিন সরকারের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পক্ষে তার সামরিক সচিব এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাবেক এই স্পিকারের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধ জানান।
রাষ্ট্রপতি তার শোকবার্তায় বলেন, "এই বরেণ্য রাজনীতিবিদের প্রয়াণ দেশের রাজনীতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”
সোমবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করবেন।
রোববার বিকাল ৫টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক এই স্পিকারের জানাজা হবে।
২০০১ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জমির উদ্দিন সরকার।
সংসদে দাঁড়িয়ে যখন একাত্তরের ইতিহাসকে অস্বীকার করে বাহাত্তরের সংবিধান ছুঁড়ে ফেলার ডাক দেওয়া হয়, তখন প্রশ্ন জাগে—৫৪ বছর পর আমরা আসলে কোন পথে হাঁটছি?
নির্বাচনকে ঘিরে ইশতেহারে প্রতিশ্রুতির জোয়ার বইলেও সাধারণ মানুষের মৌলিক প্রশ্ন একটিই: তারা কি রাষ্ট্র থেকে ন্যায়বিচার পাবেন?