০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার রাত দেড়টা থেকে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ফটক আটকে রাখেন রোগীর স্বজনরা।
এ ঘটনায় তিন ঘণ্টার বেশি সময় জরুরি বিভাগের ফটক আটকে চিকিৎসা বন্ধ রাখা হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, মারধরের সময় কোনো স্টাফ সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। হামলাকারীরা তাকে বিবস্ত্র করে মারধর করে।
আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে দেখা গেছে, হাসপাতালে আনার চার দিন আগে তার বাচ্চা গর্ভেই মারা গেছে।
সদর থানার ওসি বলেন, “খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে চিকিৎসককে উদ্ধার করে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।”
অধ্যাপক মো. শাহীন আক্তার জোদ্দারের ওপর ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে হামলার ঘটনা ঘটে।
“নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে চিকিৎসা সেবা শুরু করার কথা বলছেন চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্যরা।”