২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
গাজী টায়ারে চালানো ধ্বংসযজ্ঞ বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের কাছে বড় নেতিবাচক বার্তা পাঠিয়েছে। কারখানা তো রাজনীতি করে না। মালিকের ওপর আক্রোশ মেটাতে গিয়ে ক্ষোভের আগুনে দেশের সম্পদ ও হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান পুড়িয়ে ফেলার এই আত্মঘাতী প্রবণতা কেন?
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন গোলাম দস্তগীর গাজী।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম সাদেকুর রহমান এ আদেশ দেন।
দস্তগীরের ছয়টি ব্যাংক হিসাবে ২৫৭ কোটি ৭৫ হাজার ৪৮৯ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
জেলা প্রশাসনের এক তদন্ত প্রতিবেদনে এ অগ্নিকাণ্ডে ১৮২ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে৷
২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ওই যুবদল কর্মীর মৃত্যু হয়।
সাবেক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রীকে গত ২৪ অগাস্ট গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তার কারখানার যন্ত্রপাতি পর্যন্ত লুট করা হয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গাজী টায়ারস।
“তোমাগো সরকাররে কও, আমার পোলাডার পোড়া লাশটা দিতে না পারুক, হাড্ডিডা দিতো,” বলছিলেন নিখোঁজ আমান উল্লাহর মা।