০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সংবিধানের এক বা একাধিক অনুচ্ছেদের সমালোচনা আছে মানে সেই সংবিধান ছুঁড়ে ফেলতে হবে বা তার কবর রচনা করতে হবে—এই ধরনের বক্তব্য খুবই বিপজ্জনক।
নির্বাচন শুধু ভোটের দিন নয়, এটি একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। কিন্তু শর্ত, ভয়, প্রোপাগান্ডা ও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় এবারের নির্বাচন কি সত্যিই অংশগ্রহণমূলক হতে পারছে?
“আসন দিয়ে আমাদের কিনতে পারবেন না। আসন দিয়ে কেনা সম্ভব না, আমরা বিক্রি হতে আসি নাই,” বলেন হাসনাত।
“আমাদেরকে আসিফ নজরুল বলেছিলেন, ঘোষণাপত্র দেবেন। একবার মুলা দেখিয়েছিলেন ছাত্র-জনতাকে; ঘোষণাপত্র দেবেন বলেছিলেন, উনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। এবার যদি হেরফের হয় আসিফ নজরুল বাংলাদেশে থাকবেন কি না জানি না।”
সংবিধান নতুন করে প্রণয়ন ছাড়া নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয় মন্তব্য করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগের বিচারে রূপরেখা চায় জনগণ।
ধরা যাক, অন্তর্বর্তী সরকার বিএনপিকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে এনসিপির দাবি অনুযায়ী সংসদের আগে গণপরিষদ নির্বাচন দিল। কিন্তু সেই নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচিত হয়ে আসার কোনো আলামত এনসিপির কর্মকাণ্ডে প্রতীয়মান হচ্ছে না। যদি তা-ই হয় সংস্কারের কী হবে?
“আদৌ গণপরিষদের প্রয়োজন আছে কি না, সেজন্য জাতীয় নির্বাচনের সময় আলাদা ব্যালটে মতামত নেওয়া যেতে পারে,” বলেন অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমদ।
“যেই নামে ডাকুন না কেন, সেই বাংলাদেশে আমাদের সম্প্রীতির সাথে বসবাস করতে হবে।”