০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ভারত, চীন ও রাশিয়া একত্রে অর্থনৈতিক জোট গড়ে তুলতে বসেছে; ট্রাম্প এখন একক শুল্ক নীতির নামে বানানো ঝড়ের মুখে নিজেই হতবুদ্ধি।
চীনের তিয়ানজিনে এসসিও সম্মেলনের বৈঠকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেইন সংকট সমাধানের বিষয়ে ভারত ও চীনের প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি আলাস্কায় রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনায় এই সংকট সমাধানে পারস্পরিক বোঝাপড়া নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন।
দুই দিনের এসসিও সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন-এসসিওকে প্রধানমন্ত্রী দেখছেন ‘বহুপাক্ষিকতার পথপ্রদর্শক’ এবং ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যম’ হিসেবে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই সন্ত্রাসবাদ নিয়ে সম্মেলনে কড়া বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী৷ সম্মেলনের যৌথ ঘোষণাতেও ভারতের বার্তাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে।
অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিরোধ তিন দেশকে ক্রমশ আরও কাছাকাছি নিয়ে আসছে; এসসিও সম্মেলনে তিন নেতার অন্তরঙ্গ আলাপচারিতাও একই বার্তা দিচ্ছে।
আলাস্কায় গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে যে ‘বোঝাপড়া’ হয়েছে তাতে ইউক্রেইনে শান্তির পথ খুলেছে, বলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট।
প্রায় ২০ টি দেশের নেতা রোববার এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। বন্দরনগরী তিয়ানজিনে এসসিও-র দুই দিনের এই সম্মেলন চলবে সোমবার পর্যন্ত।
রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত এই জোটে সর্বশেষ যোগ দেওয়া দেশ-ই ইরান। ২০২৩ সালে ভারত যখন এসসিও-র চেয়ারম্যান পদে ছিল, তখন তারা যুক্ত হয়।