০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বৈঠক করেছেন। উভয়পক্ষই বলছে, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট এই চুক্তি দ্রুত হতে পারে। পাশাপাশি কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদারের কথাও বলেছেন তারা।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার শীতল সম্পর্কের বরফ কি গলতে শুরু করেছে? পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সাম্প্রতিক দিল্লি সফর এবং পানিবণ্টন ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের কোন নতুন মোড় নির্দেশ করছে?
জয়শঙ্কর লিখেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলের আতিথেয়তা করতে পেরে তিনি আনন্দিত।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ভারতের সঙ্গে ‘থমকে’ যাওয়া সম্পর্ক ‘মেরামত’ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের উদ্দেশ্য, বলছে কূটনৈতিক সূত্র।
“এটা হচ্ছে শুরুটা যে, ‘আসুন আমরা সংলাপের পথটা খুলি’,” বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন, যিনিও সফরসঙ্গী হচ্ছেন মন্ত্রীর।
“তারা নতুনভাবে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক রাখতে চায়, সেটা অবশ্যই তারা বিবেচনা করবে,” বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দিল্লি মিশনে যোগ দেওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের এ কূটনীতিকের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছিল শুধু ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে।
সাবেক এই রাষ্ট্রদূত বলছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ‘সুষ্ঠু, সুস্থ, সুসম্পর্ক’ গড়ে তুলতে চায় ভারত, সেই বার্তাই খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর পাওয়া গেল।