০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জেট ফুয়েলের দাম বাড়তে থাকায় গুরুতর ব্যয় সংকটে পড়েছে বৈশ্বিক বিমান সংস্থাগুলো। আইএটিএ জানিয়েছে, ২০২৬ সালে এই খাতে ৪১ বিলিয়ন ডলার মুনাফার আভাস দেওয়া হলেও তা ২৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসতে পারে। একই সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিতে ফ্লাইট কমানো ও টিকেটের দাম বাড়ানোর পথে হাঁটছে অনেক সংস্থা।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এয়ারলাইনসটিকে বাঁচাতে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বেলআউট প্রস্তাব করেছিলেন—কিন্তু তার উপদেষ্টা ও কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের বিরোধিতায় সেটি ব্যর্থ হয়।
কেউ কেউ অভিযোগ তুলেছেন, অন্যান্য এয়ারলাইন্সের কিছু ফ্লাইট চললেও বিমান ফ্লাইট স্লট পাচ্ছে না।
ওই ফ্লাইটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৭ জন ক্রুও দেশে পৌঁছেছেন।
দেশীয় ইউএস-বাংলাসহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক এয়ারলাইন্স দুবাই, শারজাহ, মাস্কাট, রিয়াদ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
সেসব ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, সেগুলোর যাত্রীদের নিজ নিজ ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
ইউএস-বাংলা বলছে, যেসব বাংলাদেশি যাত্রীর ভিসার মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে অথবা শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে, তাদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্রমণের সুযোগ দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার নির্ধারিত ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৩৮টি ফ্লাইট বাতিল করার তথ্য জানিয়েছে শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।