২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইউ-ড্রিম নামের এই হেডরেস্ট এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে যাত্রীরা ঘুমানোর সময় মাথা ও ঘাড় স্থির থাকে।
বিমানের মূল্যায়ন ছাড়া কূটনৈতিক ‘চাপে’ উড়োজাহাজ কেনা হলে তা বাণিজ্যিকভাবে কতটা সফল হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে আগে থেকেই।
এভিয়েশন খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এসব বিমানবন্দরের পেছনে যে পরিমাণ বিনিয়োগ করতে হবে, সেই অনুপাতে কাজে আসবে না।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জেট ফুয়েলের দাম বাড়তে থাকায় গুরুতর ব্যয় সংকটে পড়েছে বৈশ্বিক বিমান সংস্থাগুলো। আইএটিএ জানিয়েছে, ২০২৬ সালে এই খাতে ৪১ বিলিয়ন ডলার মুনাফার আভাস দেওয়া হলেও তা ২৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসতে পারে। একই সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিতে ফ্লাইট কমানো ও টিকেটের দাম বাড়ানোর পথে হাঁটছে অনেক সংস্থা।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এয়ারলাইনসটিকে বাঁচাতে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বেলআউট প্রস্তাব করেছিলেন—কিন্তু তার উপদেষ্টা ও কংগ্রেসের রিপাবলিকানদের বিরোধিতায় সেটি ব্যর্থ হয়।
কেউ কেউ অভিযোগ তুলেছেন, অন্যান্য এয়ারলাইন্সের কিছু ফ্লাইট চললেও বিমান ফ্লাইট স্লট পাচ্ছে না।
ওই ফ্লাইটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৭ জন ক্রুও দেশে পৌঁছেছেন।
দেশীয় ইউএস-বাংলাসহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক এয়ারলাইন্স দুবাই, শারজাহ, মাস্কাট, রিয়াদ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।