২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পর বেসরকারি উদ্যোগে কক্ষপথে রকেট পাঠানোর সক্ষমতা অর্জনকারী তৃতীয় দেশে পরিণত হল ভারত।
ব্লু অরিজিনের এ বিস্ফোরণের ভিডিও দেখে মাস্ক নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “বিষয়টি দুঃখজনক। রকেট তৈরি করা আসলেই কঠিন কাজ।”
ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কোরীয় উপদ্বীপের পশ্চিম দিকের সাগরের উপর দিয়ে এগিয়ে গিয়ে লক্ষ্যে আঘাত হানে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, স্যাটেলাইটের সংঘর্ষ কেবল সরাসরি ক্ষতিই করে না, বরং মহাকাশে বিপজ্জনক ধ্বংসাবশেষও ছড়িয়ে দেয়।
রকেট উৎক্ষেপণের সময় কেবল তাপই নয়, শব্দের কম্পনও এত প্রবল হয় যে তা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি নষ্ট করে দিতে, এমনকি রকেটের ক্ষতিও করতে পারে।
ওই উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে একটি রকেট মহাকাশে পাঠিয়েছে রাশিয়া। রকেটটি ঠিকঠাক উড়ে গেলেও লঞ্চ প্যাডটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ক্রু সদস্যরা আহত হননি।
এ ধরনের উৎক্ষেপণ ও পুনরায় ব্যবহারের পথিকৃৎ স্পেসএক্স হলেও এবারের উৎক্ষেপণের মাধ্যমে নিউ গ্লেনের সক্ষমতাও ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল। প্রযুক্তি ডেস্ক
স্টারলিংক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এখন বিশাল ক্ষমতা হাতে পেয়েছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী মাস্ক। ফলে, স্পেসএক্সের এই আধিপত্য অনেকের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।