০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের মার্শাল ল ঘোষণা সংশ্লিষ্ট বিদ্রোহসহ একাধিক অভিযোগে হান ডাক-সু এ সাজা পেলেন।
জরুরি আইন জারির চেষ্টার পর ক্ষমতাচ্যুত ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে এটাই প্রথম কোনো রায়।
আদালতে শুনানিকালে সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কিন হি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।
নির্বাচন পূর্ব জরিপগুলোতে বিরোধীদলীয় প্রার্থী লি জে মিয়ং জনসমর্থনে এগিয়ে আছেন বলে আভাস পাওয়া গেছে।
আদালত বলেছে, প্রেসিডেন্ট ইউন সামরিক ও পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করে ‘সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কর্তৃত্ব’ দুর্বল করেছেন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল অভিশংসিত হয়ে ক্ষমতা হারানোর পর প্রধানমন্ত্রী হান অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
তার আইনজীবী জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টকে আটক করতে কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করতে থাকায় তিনি আদালতে হাজির হতে পারছেন না।
দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান কোনো প্রেসিডেন্টের জন্য প্রথম গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ঘটনা এটি।