২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান এরইমধ্যে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাসহ কয়েকজন শীর্ষ নেতৃত্বকে হারিয়েছে। যুদ্ধের সময় যত বাড়ছে এ তালিকা তত লম্বা হচ্ছে।
এবারও সংঘাতের প্রথম দিনই ইরানের একাধিক সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাকে হত্যা করে ইসরায়েল; যার মধ্যে আছে শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও।
বুধবার রাত থেকে বিদায় জানানো শুরু হবে, তিনদিন ধরে তা চলবে। জানাজা ও দাফনের বিষয়ে পরে জানানো হবে, বলেছেন ইরানের ইসলামী প্রচারণা পরিষদের প্রধান হুজ্জাতুল ইসলাম মাহমুদি।
পাকিস্তানে বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে আগামী ৬ মার্চ শুক্রবার পর্যন্ত ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসসহ লাহোর ও করাচির কনস্যুলেট কার্যক্রম স্থগিত রাখবে।
হাইফার বিভিন্ন নিরাপত্তা ও সামরিক কেন্দ্র এবং পূর্ব জেরুজালেমেও হামলা হয়েছে, দাবি আইআরজিসির।
সফল বিপ্লব বা অভ্যুত্থানের জন্য পক্ষত্যাগ খুবই জরুরি শর্ত।
সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার ‘হত্যাকারীদের’ সাজা দেওয়া এবং ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ আক্রমণ’ চালানোর অঙ্গীকার করেছে আইআরজিসি।
লখনৌসহ ভারতের আরও কিছু জায়গায়ও বিক্ষোভ হওয়ার কথা রয়েছে।