০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
“এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়, এগুলো রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা ও সামাজিক জবাবদিহিতা না থাকার প্রতিফলন,” বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
সংস্থাটি বলেছে, “সীমান্ত কখনোই মানুষের জীবনহানির ক্ষেত্র হতে পারে না। বরং তা হওয়া উচিত আইনের শাসন, মানবিকতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের প্রতিফলন।”
সাদ্দামের সন্তান-স্ত্রীর লাশ শনিবার সন্ধ্যায় নেওয়া হয় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে, সেখানে তাদের শেষবারের মত ছুঁয়ে দেখেন তিনি।
“প্রকাশ্যে এমন নির্যাতন শুধু আইন অবমাননা নয়, এটি নারীর মর্যাদায় সরাসরি আঘাত,” বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
“সন্দেহভাজন অপরাধীকেও আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া হত্যা বা গুলির নির্দেশ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
“এ ধরনের ঘটনা সমাজে ভীতি, আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি করছে।”
‘মব সন্ত্রাসের’ শিকার হয়ে গত সাত মাসে ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র-আসক। এর মধ্যে শনিবার চোর সন্দেহে রংপুরের তারাগঞ্জে দুই হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এসব নৈরাজ্যকর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ার কথা বলছেন সাধারণ মানুষ।
“এ ধরনের নির্মম ঘটনা মানবাধিকারের ভিত্তিকে সরাসরি আঘাত করে,” বলছে সংস্থাটি।