২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে নজিরবিহীন মব সন্ত্রাসের শিকার হয়ে শারীরিক এবং মানসিক আঘাতে অন্তত ছয়জন শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। আহত ও অসুস্থ হয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন পাঁচ শতাধিক শিক্ষক। দেশজুড়ে আড়াই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় সাড়ে তিন হাজার শিক্ষক হেনস্তার শিকার হয়েছেন। নির্বাচিত সরকারের আমলেও কেন থামছে না শিক্ষকদের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত মব জাস্টিস?
“বিগত শেখ হাসিনা সরকারের অর্থনৈতিক দর্শনের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা বর্তমান বিএনপি সরকারের দর্শনের কোনো তফাত নেই।”
বর্তমানে সরকারি দল ও বিরোধী দলও ‘মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় একমত’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মুক্তিযুদ্ধ ও জনগণের ইতিহাসের চেতনাকে ধারণ করে একটি অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানান তিনি।
“জনগণের জানার অধিকার আছে কারা বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদি অধীনতার চুক্তির মধ্যে ফেলেছে,” বলেন তিনি।
“সরকার দেশের স্বার্থ বিবেচনায় না নিয়ে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মুনাফা নিশ্চিত করতেই বন্দরে শুল্ক বাড়িয়েছে,” বলেন এমএম আকাশ।
“সরকারগুলোর একটা একটা অভিন্ন প্রবণতা দেখি যে তারা সবসময় আন্তর্জাতিক কিছু প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করে,” বলেন তিনি।
“বদরুদ্দীন উমর স্রোতে গা ভাসাতেন না; যা বিশ্বাস করেছেন, তা বলেছেন; সেই বিশ্বাস মানুষের পক্ষে,” বলেন ফরহাদ মজহার।