২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
চলতি বছরের জানুয়ারিতে আইসিজেতে যুগান্তকারী এ মামলার বিচার শুরু হয়।
মিয়ানমার সরকারের প্রতিনিধি বলেছেন, রাখাইনের যারা এখন বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরগুলোতে আছে, তাদের ফেরাতে মিয়ানমার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে কোভিড-১৯ এর মতো বাইরের অনেক কিছু এতে বাধ সেধেছে।
এই মামলার বিচারের ফলাফল মিয়ানমারের পাশাপাশি ইসরায়েলের এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে হওয়া গণহত্যার মামলাগুলোতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
গাজায় গণহত্যামূলক কার্যক্রম চালানোর অভিযোগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে মামলা করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
এসব মামলার রায় মানতেই হবে— এমন বাধ্যবাধকতা নেই; তবে এর প্রভাব ব্যাপক হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তার দেশ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এ মামলা করেছে এবং তা অব্যাহত রেখেছে, বলেন ঢাকায় আসা দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
নেদারল্যান্ডসে দ্য হেগের এই আদালতে দক্ষিণ আফ্রিকার আবেদনের ওপর শুনানিতে দেশটির বিরুদ্ধে বাস্তবতাকে বিকৃত করার অভিযোগ করেছে ইসরায়েল।