০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১
এখন পর্যন্ত ২৩ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নৌকাটিতে ঠিক কতোজন যাত্রী ছিলেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে ৬৩ জন পাকিস্তানি ছিলেন, তাদের মধ্যে ৩৭ জন দুর্ঘটনাটি থেকে বেঁচে গেছেন।
মালয়েশিয়ার অবকাশযাপন দ্বীপ লংকাউই দক্ষিণপশ্চিম দিকে দুই নটিক্যাল মাইল দূরে দু’টি নৌকায় মিয়ানমারের এসব শরণার্থীরা ছিল।
জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএম জানিয়েছে, নৌকাটিতে বিভিন্ন দেশের প্রায় ৩০ জন অভিবাসন প্রত্যাশী ছিলেন।
চারটি কোস্টগার্ডের জাহাজ ও একটি হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ইরিত্রিয়া, সুদান, সিরিয়া ও ইরানসহ বেশ কয়েকটি দেশের লোকজন এটি রবারের ডিঙিতে চড়ে চ্যানেলটি পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
এই চক্রের বিরুদ্ধে খুন, অবৈধভাবে আটকে রাখা, নির্যাতন, অভিবাসন প্রত্যাশীদের ধর্ষণ, মুক্তিপণ আদায়ের মতো বহু অভিযোগ আছে।
ইউরোপের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া একটি নৌকার যাত্রী ছিল তারা। ওই নৌকায় ১৭০ জন আরোহী ছিল।