ট্রাম্পের টুইটার পাসওয়ার্ড ছিলো ‘এমএজিএ২০২০!’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড অনুমান করে হ্যাকার তাতে সফলভাবে প্রবেশ করেছেন বলে জানতে পেরেছেন এক ডাচ কৌঁসুলি। সেসময় ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড ছিলো ‘এমএজিএ২০২০!’।

প্রযুক্তি ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 17 Dec 2020, 01:25 PM
Updated : 17 Dec 2020, 08:03 PM

‘এমএজিএ’ হচ্ছে ডনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী স্লোগান ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।

সাইবার নিরাপত্তা গবেষক ভিক্টর গিভার্স নামের ওই হ্যাকার “নৈতিক” আচরণ করায় তার কোনো শাস্তি হবে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে বিবিসি।

গিভার্স দাবি করেছেন, ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টের ভেতরের ২২ অক্টোবরের একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন তিনি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্যায়ের সময়।

সে সময় হ্যাকিংয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেছিলো হোয়াইট হাউস। আর টুইটার জানিয়েছিলো- ‘হ্যাকিংয়ের কোনো প্রমাণ নেই’।

নতুন তথ্যের ভিত্তিতে টুইটার এখন বলছে, “এই দাবির সত্যতা যাচাইয়ের মতো কোনো প্রমাণ আমরা দেখিনি। নির্দিষ্ট কিছু উচ্চ-মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তি এবং সরকারের ফেডারেল শাখাসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচন-সম্পর্কিত টুইটার অ্যাকাউন্টগুলোতে আমরা সক্রিয়ভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করি।”

এদিকে গিভার্স জানিয়েছেন, সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি খুশি।

“এটা শুধু আমার কাজের বিষয়ে নয়, ইন্টারনেটের দূর্বলতা বের করতে স্বেচ্ছাকর্মী সবার জন্য,” বলেন গিভার্স।

সাইবার নিরাপত্তা গবেষণায় যথেষ্ট সমীহ পেয়ে থাকেন গিভার্স। তিনি বলেছেন, ১৬ অক্টোবর মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের অ্যাকাউন্ট যাচাই করছিলেন। সে সময়ই তিনি ট্রাম্পের পাসওয়ার্ড অনুমান করতে পেরেছেন।

ডাচ পুলিশের দাবি, “হ্যাকার নিজেই লগইনের বিষয়টি প্রকাশ করেছেন।”

“পরবর্তীতে তিনি পুলিশের কাছে ব্যাখ্যা করেছেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে টুইটার অ্যাকাউন্ট যাতে হ্যাকিংয়ের কবলে না পড়ে, তাই পাসওয়ার্ডের দৃঢ়তা যাচাই করছিলেন তিনি।”

নিজেদের অনুসন্ধানের বিষয়টি মার্কিন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে ডাচ পুলিশ।

সফলভাবে ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করার কারণে অ্যাকাউন্টের সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ ছিলো গিভার্সের কাছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই অ্যাকাউন্টের অনুসারীর সংখ্যা আট কোটি ৯০ লাখ। অ্যাকাউন্টটি এখন নিরাপদ বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে বিবিসি।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক