চীনে চিপ বিক্রি থেকে ১৫ শতাংশ কর দেবে এএমডি, এনভিডিয়া
এটি হোয়াইট হাউসের সঙ্গে এক অভূতপূর্ব চুক্তি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র সরকার সরাসরি কোনো কোম্পানির বিদেশে চিপ বিক্রির আয় থেকে ভাগ নেয়নি।
চীনে বিক্রি হওয়া কিছু নির্দিষ্ট চিপ থেকে যত আয় হবে তার একটা অংশ যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে দেবে বলে এক চুক্তিতে রাজি হয়েছে মার্কিন বড় দুটি চিপ নির্মাতা কোম্পানি এনভিডিয়া ও অ্যাডভান্সড মাইক্রো ডিভাইসেস বা এএমডি।
এটি হোয়াইট হাউসের সঙ্গে এক অভূতপূর্ব চুক্তি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র সরকার সরাসরি কোনো কোম্পানির বিদেশে চিপ বিক্রির আয় থেকে ভাগ নেয়নি বলে প্রতিবেদনে লিখেছে আমেরিকান সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি।
ব্রিটিশ দৈনিক ফাইনান্সিয়াল টাইমস প্রতিবেদনে লিখেছে, চিপ বিক্রির আয়ের ১৫ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে দেবে এনভিডিয়া ও এএমডি। এর বদলে, চীনে নিজেদের শক্তিশালী ‘এইচ২০’ ও ‘এমআই৩০৮’ নামের চিপ বিক্রির অনুমতি বা লাইসেন্স পাবে কোম্পানি দুটি।
সিএনবিসি লিখেছে, এ চুক্তি এমন সময়ে হল যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্ক এখনও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। এর থেকে ইঙ্গিত মেলে, হোয়াইট হাউস দর-কষাকষির জন্য কখনো কখনো কিছু নিয়মে ছাড় দিতে রাজি হচ্ছে।
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস প্রতিবেদন লিখেছে, গত সপ্তাহে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেছেন এনভিডিয়ার সিইও জেনসেন হুয়াং।
এনভিডিয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, “বিশ্ববাজারে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নির্ধারিত বিভিন্ন নিয়ম আমরা মেনে চলি।”
গত সপ্তাহে ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, যদি কোনো কোম্পানি ‘যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা না গড়ে তোলে’ তবে বাইরে থেকে দেশে চিপ ও সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানি করলে সেই পণ্যের ওপর একশ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন তিনি।
গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্রে আরও ১০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে আইফোন নির্মাতা অ্যাপল।
হোয়াইট হাউস বলছে, এই অর্থ দেশেই অ্যাপলের যন্ত্রাংশের উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহ দেওয়ার জন্য খরচ করা হবে।
এর আগে, চার বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৫০ হাজার কোটি ডলার খরচের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল অ্যাপল। নতুন বিনিয়োগ সেই পরিকল্পনারই অংশ।
