১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

গোল্ডম্যান স্যাকসের বিদায়, অ্যাপল কার্ডের দায়িত্বে জেপি মরগান

অ্যাপল কার্ডে নিজেদের প্রায় ২০০০ কোটি ডলারের বকেয়া কাস্টমার ব্যালেন্স বা ঋণ জেপি মরগানের কাছে হস্তান্তর করছে গোল্ডম্যান স্যাকস।

গোল্ডম্যান স্যাকসের বিদায়, অ্যাপল কার্ডের দায়িত্বে জেপি মরগান
গত কয়েক বছর ধরেই অ্যাপলের সঙ্গে এ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছিল গোল্ডম্যান স্যাকস ছবি: রয়টার্স

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 09 Jan 2026, 02:38 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:31 PM

অ্যাপল কার্ডের নতুন ইস্যুকারী বা ব্যাংক পার্টনার হচ্ছে জেপি মরগান চেজ– এক ঘোষণায় এমনই বলেছে অ্যাপল।

মার্কিন বাণিজ্য দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে এই দুই কোম্পানির চুক্তির খবর প্রকাশ হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে আইফোন নির্মাতা মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিটি।

অ্যাপল বলেছে, বর্তমান ব্যাংক থেকে নতুন ব্যাংকে যাওয়ার এ পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে। তবে এ সময়ে নিজেদের অ্যাপল কার্ড আগের মতোই ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকরা।

এর আগে এ পরিবর্তন সম্পর্কে গ্রাহকদের কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিল অ্যাপল। তবে মূল বিষয় হচ্ছে আপাতত কার্ডের সব সেবা আগের মতোই চলবে এবং ভবিষ্যতে কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে গ্রাহকদের তা জানিয়ে দেবে কোম্পানিটি।

এ ছাড়া এ নতুন পার্টনারশিপের অধীনেও অ্যাপল কার্ডের পেমেন্ট নেটওয়ার্ক হিসেবে মাস্টারকার্ড বহাল থাকবে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট।

২০১৯ সালে অ্যাপল কার্ড চালুর সময় কোম্পানিটির সহযোগী ব্যাংক ছিল গোল্ডম্যান স্যাকস। তবে গত কয়েক বছর ধরেই এমন কিছু লক্ষণ দেখা গিয়েছে, যেখানে এ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছিল গোল্ডম্যান স্যাকস।

নিজেদের ক্রেডিট কার্ডের বর্তমান বা ভবিষ্যতের চুক্তি নিয়ে খুব বেশি তথ্য প্রকাশ করেনি অ্যাপল।

তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন বলছে, জেপি মরগান চেজের সঙ্গে এ নিয়ে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আলোচনা চলছে।

সূত্রের খবর অনুসারে, নিজেদের প্রায় ২০০০ কোটি ডলারের বকেয়া কাস্টমার ব্যালেন্স বা ঋণ জেপি মরগানের কাছে হস্তান্তর করছে গোল্ডম্যান স্যাকস। আর এমনটি হয়েছে ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি ছাড়ে।