১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

বহুজাতিক কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে এবার টাস্কফোর্স করবে বিএসইসি

এটি দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের ক্ষেত্র হিসেবে পুঁজিবাজারকে গড়ে তোলার কাজও করবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 26 Jun 2025, 12:43 AM

Updated : 26 Aug 2026, 01:16 PM

বাংলাদেশে ব্যবসা করা বহুজাতিক কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে টাস্কফোর্স গঠনের পরিকল্পনার কথা বলেছেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।

বুধবার রাজধানীর নিকুঞ্জে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) পুঁজিবাজার বিষয়ক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বিএসইসি যৌথভাবে এ টাস্কফোর্স গঠন করবে। এটি দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের ক্ষেত্র হিসেবে পুঁজিবাজারকে গড়ে তোলার কাজও করবে।

এ আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ডিবিএ।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘পুঁজিবাজারে সংস্কারে কাজ চলছে। আমরা সংস্কারের মাধ্যমে ফুটপ্রিন্ট রেখে যেতে চাই।”

পুঁজিবাজারে বর্তমানে ১৩টি বহুজাতিক কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। সবশেষ ২০২০ সালে তালিকাভুক্ত হয় মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা।

এর আগে ২০০৯ সালে তালিকাভুক্ত হয় আরেক মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন।

সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘‘পুঁজিবাজারের কেউ দায়িত্ব নিচ্ছে না। আমরা একটা সমাধানের চেষ্টা করছি। আমাদের ডেরিভেটিভ প্রডাক্টের দিকে যাব।’’

পুঁজিবাজারের বিষযে সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘নীতি তৈরি করলে তার প্রভাব অন্যান্য খাতে পড়ে। এজন্য নীতি তৈরি করলে ভেবেচিন্তে সার্বিকভাবে প্রভাব দেখেই করতে হয়, সময় লাগবে।’’

আলোচনা সভায় বিএসইসি গঠিত আরেকটি টাস্কফোর্স এর মিউচুয়াল ফান্ড, আইপিও এবং মার্জিন রুলস এর বিভিন্ন বিষয় সংস্কার নিয়ে কথা বলেন চেয়ারম্যান। বলেন, ‘‘এগুলো করতে পারলে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ সংস্কার হয়ে যাবে।

‘‘বিএসইসির কাজ রেগুলেট করা। বাজারের সূচক উঠানো-নামানো আমাদের কাজ না। বাজারের উন্নয়নে পলিসি তৈরি করা এবং বাজারে তা কাজ করছে কিনা তা মনিটরিং করা আমাদের কাজ।’’

ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ কোম্পানির চেয়ারম্যান (সিডিবিএল) তপন চৌধুরী, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান আবু আহমেদ বক্তব্য দেন।